April 19, 2026, 3:36 pm

র‌্যাব-১১ এর অভিযানে নারায়ণগঞ্জ জেলার শিমরাইল এলাকা হতে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ০৪ সদস্য গ্রেফতার\

গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অদ্য ২৫ এপ্রিল ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ দিবাগত রাত ০১:১০ ঘটিকার সময় র‌্যাব-১১, ব্যাটালিয়ন সদর, এর বিশেষ অভিযানে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন শিমরাইল এলাকায় কাঁচপুর ব্রীজ এর পশ্চিম পাশ হতে ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণকালে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারসহ ডাকাত দলের ০৪ জন দুর্ধর্ষ ডাকাতকে হাতে-নাতে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো ১। মোঃ আনোয়ার হোসেন (৩২), ২। মোঃ মনির হোসেন (৩৫), ৩। মোঃ রওশন আলী (৩৫) এবং ৪। মোঃ আক্তার হোসেন (৩০)। উক্ত অভিযানে গ্রেফতারকৃত আসামীদের হেফাজত হতে ০১টি চাপাতি, ০১টি চাইনিজ কুড়াল, ০১টি চাকু, ০১টি রামদা ও ০১টি ছোড়া উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় যে, তাদের স্থায়ী ঠিকানা ১। মোঃ আনোয়ার হোসেন (৩২), সাং-মিজমিজি, থানা-সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ, ২। মোঃ মনির হোসেন (৩৫), সাং-পাইনাদী মধ্যেপাড়া, থানা-সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ, ৩। মোঃ রওশন আলী (৩৫), সাং-পাইনাদী ধনুহাজারী বাড়ী, থানা-সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ এবং ৪। মোঃ আক্তার হোসেন (৩০), জেলা-নারায়ণগঞ্জ, থানা-সিদ্ধিরগঞ্জ, মিজমিজি এলাকায়। আর ও জানা যায় যে গ্রেফতারকৃত আসামীরা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য। এই সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্র বড় বড় দোকান টার্গেট করে অতর্কিত ভাবে হামলা করে এবং অস্ত্র প্রদর্শন করে জনমনে ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টি করে দোকান লুট করে মুহুর্তের মধ্যে পালিয়ে যায়। ডাকাত দলের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে তারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় তাদের অপরাপর সহযোগীদের নিয়ে দোকানে ও চলন্ত গাড়িতে ডাকাতি করে আসছে। বিগত কয়েক বছরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘটে যাওয়া এই রকম বেশ কয়েকটি চাঞ্চল্যকর ডাকাতির সঙ্গে এই সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের সদস্যরা জড়িত ছিল মর্মে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়। গোয়েন্দা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল কর্তৃক অদ্য ২৫ এপ্রিল ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ দিবাগত রাত ০১:১০ ঘটিকায় নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন শিমরাইল এলাকায় কাঁচপুর ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত অবস্থায় ডাকাত দলে ০৪ সদস্যকে হাতে-নাতে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়ধীন।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা